স্মার্টনেস কি? কেন স্মার্ট হওয়ার প্রয়োজন? কীভাবে স্মার্ট হবেন?

স্মার্টনেস কি?

স্মার্টনেস হল বুদ্ধিমত্তা এবং শরীরি ভাষার সমন্বয়ে অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার ক্ষমতা । স্মার্ট মানুষ যেকোন পরিস্থিতিতে খুব সহজেই অন্য মানুষদের মাঝে নিজের কথা বা আইডিয়াকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারে । মুখের ভাষায় বললে আমরা যাকে বলি, পটিয়ে ফেলা বা কনভেন্সড করার ক্ষমতা ।

স্মার্ট মানুষদের মধ্যে সবথেকে বড় গুণ হচ্ছে, যেকোন বিষয় সম্পর্কে তাদের সাধারণ ধারণা থাকে, যা অন্যদের চোখে তাকে তুখোড় বুদ্ধিমান বলে মনে করায় ।

এবার আসি স্মার্টনেস কেন প্রয়োজন?

আপনি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে শুরু করে রাতে পুনরায় বিছানায় যাওয়ার আগে পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা সময়ের সার্কেলে কত শত মানুষের সাথে উঠাবসা করছেন, একবার ভেবে দেখেছেন? আপনাকে প্রতিদিন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে শত শত মানুষের সাথে চলতে হচ্ছে, বিনিময় করতে হচ্ছে, কাজ করতে হচ্ছে । ফলে স্বাভাবিকভাবেই কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে সামলানোর জন্য দক্ষতার প্রয়োজন হয়ে পড়ে । আপনি যত বেশি মানুষকে কনভেন্স করতে পারবেন, ততই কাজের গতি আপনার স্মুথ হবে । আপনি সহজেই সাফল্যের দেখা পাবেন ।

আগেই বলেছি, স্মার্টনেস হল বুদ্ধিমত্তা ও প্রকাশভঙ্গী দুইয়ের সমন্বয় । এই পর্বে আমরা বলবো বুদ্ধিমত্তা নিয়ে । আগামী পর্বে থাকবে, কীভাবে অন্যের চোখে আপনাকে সুদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করবেন করবেন ।

Advertisements

শৈশব থেকেই প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন বারাক ওবামা!

বারাক হুসেইন ওবামা ৷ আমেরিকার ৪৪তম রাষ্ট্রপতি। বিশ্বের সর্বাধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের মধ্যে একজন তিনি।
জন্ম ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের হনুলুলু শহরের কুইন্স মেডিক্যাল সেন্টারে৷
বড্ড আদুরে ছিলেন৷ তাই ব্যারি, বামা, রক, ‘কেনিয়াপুত্র’….আদুরে নামেরও যেন শেষ নেই তাঁর!
আমাদের যদি প্রশ্ন করা হয় বড় হয়ে আমরা একেকজন কি হতে চাই? তাহলে স্বভাবতই কেউ বলব ডাক্তার, কেউ বলব ইঞ্জিনিয়ার কেউবা বলব প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। এরকমটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কেউ যদি বলে ‘আমি বড় হয়ে দেশের প্রেসিডেন্ট হতে চাই’ তাহলে সবাই ভ্রু কুচকাবেন।
আসলে ভ্রু কুচকানোর কিছু নেই। কেউ যদি ছোটবেলা থেকে নিজের লক্ষ্য ঠিক করে এবং সেই মোতাবেক এগিয়ে যায় তাহলে সেই লক্ষ্যের দেখা সে একদিন পাবেই পাবেই। বিশ্বাস না হলে বারাক ওবামার জীবনদর্শন দেখতে পারেন।

আমেরিকার ৪৪তম রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার সম্পর্কে দারুণ তথ্যপূর্ণ পুরো ভিডিও দেখুন এখানে।

জীবনে চলার পথে আব্রাহাম লিংকনের গুরুত্বপূর্ণ ১০ টি পরামর্শ!

আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার ১৬ তম রাষ্ট্রপতি। তিনি দুইবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হল। প্রথম মেয়াদে ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। লিংকন ১৮৬৪ সালে পুনরায় আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। লিংকন ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল উইলকেস বুথ নামের এক আততায়ীর গুলিতে আহত হয়ে পরের দিন নিহত হন।
আব্রাহাম লিংকন কোন আনুষ্ঠানিক শিক্ষা না পেয়েও ছিলেন অসাধারণ জ্ঞান সম্পন্ন এক মহান ব্যক্তি। তার প্রমাণ মেলে তাঁর অসাধারণ প্রতিভার সাক্ষর রাখা বিভিন্ন ক্ষেত্রে। আব্রাহাম লিংকন একজন সাধারণ রাজনীতিবিদ থেকে আমেরিকার সেরা রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। তিনি নিজেকে আমেরিকানদের স্বার্থে বিলিয়ে দিয়েছেন। আর এ কারণেই তিনি সবার চোখে মহান হতে পেরেছেন। আজকে পাই ফিঙ্গার্স মোটিভেশন থেকে থাকছে জীবনে চলার জন্য আব্রাহাম লিংকনের অসাধারণ কিছু উক্তি।

আব্রাহাম লিংকন একজন সাধারণ রাজনীতিবিদ থেকে আমেরিকার সেরা রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। জীবনের চলার পথে আব্রাহাম লিংকনের এই ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি অনেক বেশি ভূমিকা রাখবে।

অলসতা দূর করার কার্যকর পদ্ধতি!!

অলসতা কি? 

অলসতা হচ্ছে কর্মহীন থাকার ইচ্ছা, কোনকিছুই করতে না চাওয়া এবং নিরুৎসাহিত থাকা । এক প্রকার নিস্ক্রিয় থাকার ইচ্ছার নাম অলসতা ।

মাঝেমধ্যে টানা অনেক ঘণ্টা কাজ করার পর সামান্য অলসতা এলে সেটা বরং উপভোগ্য অথবা প্রচণ্ড শীতের মাঝে বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করছে না, এমন কিছু হলেও সেটাকে গুরুতর কিছু না ভাবাই ভাল ।

কিন্তু এটা একটা মারাত্মক রোগ হয়ে দাঁড়ায় যখন, উঠতে, বসতে, কাজ করতে গেলে অলসতা এসে আপনার স্বাভাবিক গতিকে থামিয়ে দেয় । যদি খুব বেশি এমনটা হয়, তাহলে বুঝবেন আপনি অলসতায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন । যত দ্রুত সম্ভব এর থেকে আপনাকে বের হয়ে আসতে হবে ।

আমাদের প্রতিদিনের কাজ অথবা কোন কিছু খুব যত্ন নিয়ে দক্ষতার সাথে করতে চাইলে, এমন কি একটি সুন্দর ও সুস্থ জীবন যাপনের জন্য সবার আগে জানতে হবে, কীভাবে অলসতার ব্যধি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা যায় । একজন সফল মানুষের সফলতার পথে সবচেয়ে বড় বাঁধাটার নাম অলসতাকে জয় করা ।

পাই ফিঙ্গার্স মোটিভেশন থেকে আজকে জানাবো কীভাবে অলসতাকে দূর করে পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে সফল করা যেতে পারে ।

ভিডিওতে দেখুন ।

সন্তানের অভিভাবকদের জন্য ভিডিওটি | আব্রাহাম লিংকনের চিঠি | Abraham Lincoln | Bangla Motivation

আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার ১৬ তম রাষ্ট্রপতি । তিনি দুইবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রথম মেয়াদে ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন । লিংকন ১৮৬৪ সালে পুনরায় আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল উইলকেস বুথ নামের এক আততায়ীর গুলিতে আহত হয়ে পরের দিন নিহত হন ।
আব্রাহাম লিংকন কোন আনুষ্ঠানিক শিক্ষা না পেয়েও ছিলেন অসাধারণ জ্ঞান সম্পন্ন এক মহান ব্যক্তি। তার প্রমাণ মেলে তাঁর অসাধারণ প্রতিভার সাক্ষর রাখা বিভিন্ন ক্ষেত্রে। তিনি তাঁর সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি চিঠি লিখেছিলেন যা আজও শিক্ষকদের জন্য শিক্ষাদানের পথ-নির্দেশিকা হিসেবে প্রচলিত। আপনারা অনেকেই হয়ত সেই চিঠিটি সম্পর্কে জানেন । কিন্তু যারা জানেন না, তাদের জন্য আজকের এই ভিডিওটি ।

মাননীয় মহাশয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম । তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবি ।
আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন- সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়। তাকে এও শেখাবেন প্রত্যেক খারাপ লোকের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থবান রাজনীতিকের মাঝেও একজন নিঃস্বার্থ নেতা থাকে। তাকে শেখাবেন পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মূল্যবান।
সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন ।

বস্তি থেকে হলিউডের সেরা অভিনেতা | Mark Wahlberg | Life Story | Bangla Motivational Video

কারাগারে আমি তখন একজন খুনের আসামীর জীবনযাপন করছি । সময় কাটানোর মতো অন্য কিছু ছিল না বলে সারাদিন এটাসেটা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতাম । হঠাৎ আমি আবিস্কার করলাম, আমি আমার এ জীবনকে ভীষণ অপছন্দ করছি । তখন আমার মাথায় এক নতুন চিন্তা চলে আসে । দিনরাত মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে একটি কথা- যেহেতু আমি এমন জীবন চাই না, তাই কারাগারই হবে আমার জীবনের শেষ নিষিদ্ধ অধ্যায় ।
আমার অনুভূতি ছিল এমন যে, আমি আমার জীবনের সবচেয়ে জঘন্য পর্যায়ে পৌঁছে গেছি । এর চেয়ে নিচে আর কোন জায়গা নেই ।
সুতরাং আমি জীবন নিয়ে একটি নতুন প্রতিজ্ঞা করি যে, আমাকে জীবনে যথেষ্ট সম্মান অর্জন করতে হবে । আমি একজন সম্মানিত মানুষ হতে চাই ।
কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই আমি প্রথমে এক অগ্নি পরীক্ষার মুখোমুখি হই । আমাকে আবারো আমার সেই নিষিদ্ধ পথের বন্ধুদের কাছেই যেতে হয় । আমি তাদের গণ্ডির বাইরে কোনভাবেই বের হতে পারছিলাম না । আমার ভেতরে অন্য মানুষ, আর বাইরে ওদের সাথে ওদের মতোই একজন ।
কিন্তু আমি সবসময় ভাবতাম, আমি কখনোই ওদের মতো না । ওদের মতো হয়ে থাকতে চাই না ।
আমার সময় এল নিজেকে পরিবর্তনের । নিজেকে অন্য মানুষে রূপান্তর করার ।
আমি আমার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ভেবেছি- ওদের সঙ্গ আমাকে ছাড়তে হবে । একপর্যায়ে বন্ধুদের দৃঢ়ভাবে জানালাম, আমি তোমাদের সাথে আর থাকবো না । আমি চিরদিনের জন্য তোমাদের সঙ্গ ছেড়ে দিচ্ছি ।
আমার এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই ওরা আহত হয় । আমি বোঝানোর চেষ্টা করলে ওরা ক্ষেপে যায় । আমার সাথে ওদের প্রচণ্ড মারামারি বাঁধে তখন ।
তারপর আমি মুক্ত হলাম । আমাকে নতুন করে বাঁচতে হবে । তারপর থেকে শুরু হল আমার নতুন যাত্রা ।

শূন্য থেকে বিশ্বের সেরা ধনী যারা | Zero To Hero | Bangla Motivational Video

শূন্য থেকে বিশ্বসেরা ধনী

আমার টাকা নাই, তাই আমি ব্যবসা করতে পারছি না ।
> আমার মামা চাচা নাই, তাই চাকরী পাচ্ছি না ।
> আমি ভাল প্রতিষ্ঠানে পড়তে পারিনি, তাই জীবনে সফল হতে পারছি না ।
অথচ এই সম্ভাবনাময় মানুষগুলোকে যখন বিভিন্ন সফল মানুষের উদাহরন দেওয়া হয়, তারা বলেন, উনারা এক্সেপশনাল । Exception is not an example.
অথচ চিন্তা ক্রুন, আপনি যদি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আগামী ১০ বছর পর আপনার কাঙ্খিত সফলতায় পৌঁছান তখন আপনার আশেপাশের মানুষগুলোও আপনাকে নিয়ে বলবে, উনি এক্সেপশনাল । এক্সেপশনাল কেউ জন্মগতভাবে হয় না, আমাদের মাঝে যে লোকটি মেধা শ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে নিজেকে অন্য আর ১০ জনের চেয়ে আলাদা করে ফেলেন , তাকেই আমরা এক্সেপশনাল বলি ।
আমাদের আজকের ভিডিওটি আপনার এই সকল অজুহাতকে শুধুই আজুহাত হিসেবে প্রমান করবে ।
আজকে আমরা এমন কিছু মানুষকে নিয়ে কথা বলবো, যারা শূন্য থেকে হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তিত্ব। যাদের একসময় কিছুই ছিল না। চলুন শুরু করা যাক সে জিরো থেকে হিরো হয়া মানুষগুলোর কথা ।

দেখুন ভিডিওটি ।