শৈশব থেকেই প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন বারাক ওবামা!

বারাক হুসেইন ওবামা ৷ আমেরিকার ৪৪তম রাষ্ট্রপতি। বিশ্বের সর্বাধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের মধ্যে একজন তিনি।
জন্ম ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের হনুলুলু শহরের কুইন্স মেডিক্যাল সেন্টারে৷
বড্ড আদুরে ছিলেন৷ তাই ব্যারি, বামা, রক, ‘কেনিয়াপুত্র’….আদুরে নামেরও যেন শেষ নেই তাঁর!
আমাদের যদি প্রশ্ন করা হয় বড় হয়ে আমরা একেকজন কি হতে চাই? তাহলে স্বভাবতই কেউ বলব ডাক্তার, কেউ বলব ইঞ্জিনিয়ার কেউবা বলব প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। এরকমটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কেউ যদি বলে ‘আমি বড় হয়ে দেশের প্রেসিডেন্ট হতে চাই’ তাহলে সবাই ভ্রু কুচকাবেন।
আসলে ভ্রু কুচকানোর কিছু নেই। কেউ যদি ছোটবেলা থেকে নিজের লক্ষ্য ঠিক করে এবং সেই মোতাবেক এগিয়ে যায় তাহলে সেই লক্ষ্যের দেখা সে একদিন পাবেই পাবেই। বিশ্বাস না হলে বারাক ওবামার জীবনদর্শন দেখতে পারেন।

আমেরিকার ৪৪তম রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার সম্পর্কে দারুণ তথ্যপূর্ণ পুরো ভিডিও দেখুন এখানে।

Advertisements

অলসতা দূর করার কার্যকর পদ্ধতি!!

অলসতা কি? 

অলসতা হচ্ছে কর্মহীন থাকার ইচ্ছা, কোনকিছুই করতে না চাওয়া এবং নিরুৎসাহিত থাকা । এক প্রকার নিস্ক্রিয় থাকার ইচ্ছার নাম অলসতা ।

মাঝেমধ্যে টানা অনেক ঘণ্টা কাজ করার পর সামান্য অলসতা এলে সেটা বরং উপভোগ্য অথবা প্রচণ্ড শীতের মাঝে বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করছে না, এমন কিছু হলেও সেটাকে গুরুতর কিছু না ভাবাই ভাল ।

কিন্তু এটা একটা মারাত্মক রোগ হয়ে দাঁড়ায় যখন, উঠতে, বসতে, কাজ করতে গেলে অলসতা এসে আপনার স্বাভাবিক গতিকে থামিয়ে দেয় । যদি খুব বেশি এমনটা হয়, তাহলে বুঝবেন আপনি অলসতায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন । যত দ্রুত সম্ভব এর থেকে আপনাকে বের হয়ে আসতে হবে ।

আমাদের প্রতিদিনের কাজ অথবা কোন কিছু খুব যত্ন নিয়ে দক্ষতার সাথে করতে চাইলে, এমন কি একটি সুন্দর ও সুস্থ জীবন যাপনের জন্য সবার আগে জানতে হবে, কীভাবে অলসতার ব্যধি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা যায় । একজন সফল মানুষের সফলতার পথে সবচেয়ে বড় বাঁধাটার নাম অলসতাকে জয় করা ।

পাই ফিঙ্গার্স মোটিভেশন থেকে আজকে জানাবো কীভাবে অলসতাকে দূর করে পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে সফল করা যেতে পারে ।

ভিডিওতে দেখুন ।

বস্তি থেকে হলিউডের সেরা অভিনেতা | Mark Wahlberg | Life Story | Bangla Motivational Video

কারাগারে আমি তখন একজন খুনের আসামীর জীবনযাপন করছি । সময় কাটানোর মতো অন্য কিছু ছিল না বলে সারাদিন এটাসেটা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতাম । হঠাৎ আমি আবিস্কার করলাম, আমি আমার এ জীবনকে ভীষণ অপছন্দ করছি । তখন আমার মাথায় এক নতুন চিন্তা চলে আসে । দিনরাত মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে একটি কথা- যেহেতু আমি এমন জীবন চাই না, তাই কারাগারই হবে আমার জীবনের শেষ নিষিদ্ধ অধ্যায় ।
আমার অনুভূতি ছিল এমন যে, আমি আমার জীবনের সবচেয়ে জঘন্য পর্যায়ে পৌঁছে গেছি । এর চেয়ে নিচে আর কোন জায়গা নেই ।
সুতরাং আমি জীবন নিয়ে একটি নতুন প্রতিজ্ঞা করি যে, আমাকে জীবনে যথেষ্ট সম্মান অর্জন করতে হবে । আমি একজন সম্মানিত মানুষ হতে চাই ।
কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই আমি প্রথমে এক অগ্নি পরীক্ষার মুখোমুখি হই । আমাকে আবারো আমার সেই নিষিদ্ধ পথের বন্ধুদের কাছেই যেতে হয় । আমি তাদের গণ্ডির বাইরে কোনভাবেই বের হতে পারছিলাম না । আমার ভেতরে অন্য মানুষ, আর বাইরে ওদের সাথে ওদের মতোই একজন ।
কিন্তু আমি সবসময় ভাবতাম, আমি কখনোই ওদের মতো না । ওদের মতো হয়ে থাকতে চাই না ।
আমার সময় এল নিজেকে পরিবর্তনের । নিজেকে অন্য মানুষে রূপান্তর করার ।
আমি আমার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ভেবেছি- ওদের সঙ্গ আমাকে ছাড়তে হবে । একপর্যায়ে বন্ধুদের দৃঢ়ভাবে জানালাম, আমি তোমাদের সাথে আর থাকবো না । আমি চিরদিনের জন্য তোমাদের সঙ্গ ছেড়ে দিচ্ছি ।
আমার এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই ওরা আহত হয় । আমি বোঝানোর চেষ্টা করলে ওরা ক্ষেপে যায় । আমার সাথে ওদের প্রচণ্ড মারামারি বাঁধে তখন ।
তারপর আমি মুক্ত হলাম । আমাকে নতুন করে বাঁচতে হবে । তারপর থেকে শুরু হল আমার নতুন যাত্রা ।

হার না মানা গল্প | Part-2 | Bangla Motivational Video 2017 | Sohag Howlader